Sunday, September 23, 2018
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন
মাঠে পানি ওঠায় গাইবান্ধার চার উপজেলার ৫৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান সাময়িকভাবে বন্ধ                 

পড়াশোনা ও প্রযুক্তি


এ মাসেই পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে!
সকালের আলো প্রতিবেদক :
সময় : 2018-04-15 15:50:34

পৃথিবীর ধ্বংস হতে আর বেশি দিন নেই। সম্প্রতি মার্কিন লেখক ডেভিড মেডসহ একদল গবেষক এমন দাবিই করেছেন। মায়ানদের ক্যালেন্ডার আর বাইবেলে বর্ণিত তথ্য গবেষণা করে তারা জানিয়েছেন চলতি মাসের ২৩ তারিখে আমাদের তিলে তিলে গড়ে ওঠা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে। যার পেছনে দায়ি থাকবে সৌরজগতের রহস্যময় সদস্য প্ল্যানেট এক্স। মায়ানদের বর্ণনায় রয়েছে, নিবিরু গ্রহটি দীর্ঘ কক্ষপথ পারি দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এসে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করে। বিশাল আকারের গ্রহটি এতটাই কাছ দিয়ে যায় যে এর প্রভাবে পৃথিবীর দু’মেরু স্থানচ্যুত হয়। কক্ষপথ থেকে সরে যাওয়ার ফলে পৃথিবীতে দেখা দেয় মহা বিপর্যয়।

যার পরিণতি ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, জলোচ্ছ্বাস। গবেষকদের দাবি, আগামী ২৩ এপ্রিল আসবে সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিন। কন্সপিরেসি থিওরিস্ট হিসেবে অভিহিত ডেভিড মেড তার দাবি জোড়ালো করতে বাইবেলের সাহায্যও নিয়েছেন। বলছেন, পবিত্র বাইবেলেও এই দিনটির কথা উল্লেখ রয়েছে। সেদিন সূর্য, চাঁদ এবং শুক্র গ্রহ একই সরলরেখায় চলে আসবে। আর সেই সঙ্গে আবির্ভাব ঘটবে মায়ানদের বর্ণিত রহস্যময় গ্রহ নিবিরু’র। আগামী ২২ এপ্রিল আর্থ ডে বা পৃথিবী দিবস পালনের পরদিনই কি তবে একমাত্র বাসযোগ্য গ্রহটির ধ্বংস দেখতে হবে? মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা অবশ্য এই দাবি উড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও তারাও সৌরজগতের দশম গ্রহ অর্থাৎ রহস্যময় প্ল্যানেট এক্স’র অস্তিত্ব সম্পর্কে কখনও অস্বীকার করেনি। তবে তাদের দাবি, এত শীঘ্রই এমন ভয়াবহ দিন আসছে না।

এই প্রসঙ্গে তাদের দাবি হচ্ছে, সৌরজগতের মধ্যে প্ল্যানেট এক্স অর্থাৎ মায়ান সভ্যতার বর্ণিত রহস্যময় গ্রহটির আবির্ভাব ঘটলে অবশ্যই তারা জানতে পারতেন। যদিও কন্সপিরেসি থিওরিস্টদের মতে, নাসাসহ পৃথিবীর শক্তিমান দেশগুলো মানুষকে মিথ্যে বলছে। অবশ্য এর আগেও একাধিকবার রহস্যময় নিবিরু গ্রহের আগমনের দাবি উঠেছিল। ডেভিড মেড’ও এমন দাবি করেছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে, ২০১৬ সালের এপ্রিল ও ডিসেম্বরে, ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বরে এমন পৃথিবীর ধ্বংসের দাবি উঠেছিল। যার সবই মিথ্যে প্রমাণিত করে আজও টিকে রয়েছে এই সভ্যতা। কিন্তু গবেষকদের দাবি, মায়ান সভ্যতার হিসেবে কিছু গোলমাল থাকতে পারে। এমনও হতে দীর্ঘ সময় আগের হিসেবে কিছুটা গণ্ডগোল হতেই পারে। তবে হারিয়ে যাওয়া উন্নত সেই জাতি মিথ্যে দাবি করেছিল এমনটা মানা বোকামি।

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter