Wednesday, October 17, 2018
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ                 

পড়াশোনা ও প্রযুক্তি


মিড ডে মিলের প্রয়োজনীয়তা
শান্ত বণিক :
সময় : 2018-10-09 00:45:22

বয়স যখন ৫ থেকে ১০ বছর। তখনতো বাধাহীন জীবন। জীবনকে না বোঝার সময়। উচ্ছাসের সময়। স্কুল পালানোর সময়। কিন্তু কাব্যিক কথায় পৃথিবী চলে না। বিদ্যালয় পালানো শিক্ষার্থী দিয়েতো আর দেশ গঠন সম্ভব নয়। এ জন্য বিদ্যালয়ের প্রায় শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধ করার জন্য মিড ডে মিল অন্যতম হাতিয়ার।
গবেষণার দরকার নেই স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় বিদ্যালয়ে অবস্থানকালের একটি লম্বা সময় শিক্ষার্থীদের অভূক্ত থাকতে হয়। আর ইংরেজীতে প্রবাদ বাক্য ‘ঐঁহমৎু সধহ রং ধহমৎু সধহ’ এ জন্যই দরকার মিড ডে মিল। এটি শিশুর শরীরের বিকাশ, মেধার বিকাশের জন্য জরুরী। একটি লম্বা সময় যদি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন অভূক্ত থাকে তাহলে সে শিক্ষার্থী দিয়ে লম্বা সময়ের জন্য বিদ্যালয়ের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। স্কুল বিরতিতে নিদির্ষ্ট সময় পর আহার গ্রহণই হচ্ছে মিড ডে মিল। এজন্য দরকার টিফিন বক্স আর নিয়মিত খাবার নিয়ে আসা। নরসিংদী জেলার সকল উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন বক্স প্রদান করা প্রয়োজন। সক্ষম ব্যক্তিদের ছেলে মেয়েরা এভাবেই প্রতিদিন বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসছে। অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবানদের পক্ষ থেকে দুপুরের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। মূলত বিষয়টি হচ্ছে চর্চার এবং সচেতনতার। প্রতিটি অভিবাবককে অবশ্যই তার সন্তানদের খাদ্যের বিষয়ে সচেতন এবং সর্তক হতে হবে। দুপুরের খাবারটি যেহেতু এ বয়সী বাচ্চাদের শরীর গঠনের জন্য জরুরী। সে জন্য দামী খাবার নয় বরং পুষ্টিকর খাবারই হতে পারে তাদের জন্য নিয়ামক। ভাত, শাক কিংবা ডাল, ডিম এগুলোই যথেষ্ট। আর না হলে সবজি খিচুড়ি খাবার গ্রহণের পর শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়ে উঠে। এর ফলে বিদ্যালয় পালানোর প্রবণতা কমছে এবং একই সাথে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। নরসিংদী জেলায় প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকদের এ বিষয়ে সচেতন করার পর ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের চেয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেড়েছে। অন্যদিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। মিড ডে মিল মূলতপক্ষে বিদ্যালয়ের উপস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া রোধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রায় প্রতিটি অভিভাবক/শিক্ষকই বর্তমান সময়ে মিড ডে মিলের গুরুত্ব অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। ভবিষ্যতে এটি প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে। 

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter