Friday, November 16, 2018
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন
সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সৃষ্টি করেছে সংলাপ                 ভোটের ঢোল বেজে উঠল                

উপ- সম্পাদকীয়


আলোচনার দ্বার খোলা থাক
আতাউর রহমান মিটন :
সময় : 2018-11-08 14:56:39

আমেরিকায় আট বছর পর আবার প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিলেন ডেমোক্রাটরা। যদিও এর ফলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে  ডোনাল্ড ট্রাম্প এর দায়িত্ব পালনে কোন সমস্যা না হলেও নিরঙ্কুস আধিপত্য নিয়ে শাসন ক্ষমতা প্রয়োগে তাকে ধাক্কা খেতে হবে। আমেরিকার মধ্যবর্তী এই নির্বাচনকে সাধারণভাবে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের গণভোট হিসেবে দেখা হয় আর তাতে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, আমেরিকার ভোটাররা সেখানে ট্রাম্পকে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন এবং তারা ভবিষ্যতে আমেরিকার রাজনীতিতে একটা পরিবর্তন চাইছেন। ক্ষমতা পরিবর্তনের হাওয়া এখন আরও অনেক দেশেই প্রবাহমান। 

ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোন বন্দোবস্ত নয়। কেউই জবাবদিহিতার উর্দ্ধে নন। একদিন না একদিন সকলকেই বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। ভোটের ফলও এক ধরণের বিচার। জনগণের বিচার। এই বিচার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু হওয়া দরকার। কেউ যদি নিজেদের পক্ষে বিচারের রায় টেনে নেয়ার জন্য ভোট ব্যবস্থায় কারচুপি বা সুক্ষ্ম কারচুপি’র পরিকল্পনা করেন তবে সেটা রুখে দেয়া আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশী তাকে দেব। এই জনআদালতের সার্বিক সুরক্ষা করা সকল নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটা কোন দলীয় বিষয় নয়। 

নিজ কৃতকর্মের ফল সকলকেই ভোগ করতে হবে। রাজনীতিও তার উর্দ্ধে নয়। জনগণকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করতে হলে মানতে হবে জনতার রায়। জনতার রায় যাতে প্রভাবমুক্ত হয় সেই জন্য অর্থাৎ একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবীতে চলমান সংলাপ শেষ হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ‘সংলাপ শেষ তবে আলোচনা চলতে পারে’। সরকারী দল মনে করে সংলাপ ইতিবাচক হয়েছে। দেশের শীর্ষ ব্যক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকলের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ইতোমধ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। বাইরে যে যাই বলুন, গণভবনের ভেতরে সংলাপ হয়েছে আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয়ভাবেই সকলের কথা মন দিয়ে শুনেছেন এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সকলকে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। মুক্তি দেয়া হবে রাজবন্দীদের। 

আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে সংলাপ প্রসঙ্গে সরকারের সিদ্ধান্ত ও অবস্থান জাতিকে জানাবেন। যদিও গতকাল বৃধবার ঐক্যফ্রন্ট এর সাথে সংলাপ শেষে সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সাতদফার অধিকাংশ দাবীই সরকার মেনে নিয়েছেন। সংবিধানের বাইরে গিয়ে সরকার কিছু করবে না।’ সংলাপ শেষ হলেও যেহেতু আলোচনার দ্বার খোলা তাই পুরো জাতি আজ তাকিয়ে আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকে। তিনি হয়তো আজ শোনাবেন নতুন কোন আশার বাণী, যোগাবেন ভরসা, খুলে দেবেন বদ্ধ জানালার বাকি থাকা কপাটগুলো। হয়তো তাঁর ইতিবাচক সিদ্ধান্তে বদলে যেতে পারে অনিশ্চিত রাজনীতির কালোমেঘ, দূর হতে পারে সকল হতাশা, মাঝি গলা ছেড়ে গাইতে পারে গান! আমরা সবাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই আশার বাণী শোনার জন্য অধীর অপেক্ষায়!  

আমরা আশাবাদী রাজনীতিতে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার কালো মেঘ কেটে যাবে। কিন্তু আশাভঙ্গের অভিজ্ঞতাও আমাদের রয়েছে প্রচুর। সেই হতাশা ও অভিজ্ঞতা থেকেই হয়তো ডঃ কামাল হোসেন সেদিন মন্তব্য করেছেন, ‘এই সরকারের কথার এক পয়সারও দাম নেই’। বঙ্গবন্ধুর সাবেক সহযাত্রী এই নেতা আরও বলেছেন, ‘ ‘এ দেশে কোনো রাজতন্ত্র নেই। এ দেশ কোনো মহারাজা-মহারানির নয়। ১৬ কোটি জনগণের এ দেশে সরকারি দলের জন্য এক আইন আর বিরোধীদের জন্য অন্য আইন, এমনটা চলতে পারে না।’ তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন। 

জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। কথাটা সবাই মুখে বলেন কিন্তু কাজ করেন নিজেদের ইচ্ছেমত। এই অচলায়তন দীর্ঘদিনের। এটা ভাঙতে হবে। আর তার জন্য আমরা লড়াই করে চলেছি। সেই বৃটিশের আমল থেকে স্বশাসনের অধিকারের নিশ্চয়তা, অর্থাৎ আমার ভোট আমি দিয়ে আমার প্রতিনিধি বাছাই করার অধিকারের জন্য বাঙালীরা সংগ্রাম করে আসছে। ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে আমাদের জনগণ সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী। এর জন্য প্রাণও দিতে হয়েছে শুরু থেকেই। সেই বৃটিশ আমল থেকে আজ অব্দি স্বশাসনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শহীদ প্রফুল্ল চাকী, ক্ষুদিরাম, শহীদ তিতুমীর থেকে শুরু করে কত শত-হাজার-লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়েছে তার হিসেবে নেই। প্রাণ দিয়েছে লক্ষ-কোটি জানে সেটা জগৎময়! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যথার্থই বলেছিলেন, এই বীর বাঙালীকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। পারেও নাই। কখনও সংগ্রাম, কখনও সংলাপ উভয় কৌশলেই বীর বাঙালী তাঁর স্বশাসনের অধিকার, তাঁর ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। আজও তার ব্যতিক্রম নয়। 

কিছু মানুষের কাছে ‘সংলাপ ছিল পাতানো খেলা’, ‘সময়ক্ষেপণের চেষ্টা’ মাত্র। আবার অনেকেই মনে করেন সংলাপ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সংঘাতের পথ ছেড়ে অধিকার আদায়ে সংলাপের পথে, আলোচনার পথে থাকার এই প্রবণতাই সত্যিকারের গঠনমূলক রাজনীতির পথ। এটা জানা কথা যে, ছাড় দেয়ার মানসিকতা ছাড়া সংলাপ সফল হয় না। সংলাপরত গোষ্ঠীগুলি যদি নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে সংলাপের সফলতা কামনা করে তাহলে সেটা মিথ্যাকথন হবে। সংলাপ অর্থই হলো আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষ ছাড় দিয়ে এমন একটা সম্মানজনক অবস্থানে উন্নীত হওয়া যা সমস্যার কার্যকর সমাধানে সহায়তা করে। 

এবারের সংলাপের মূল ফোকাস বা লক্ষ্য ছিল একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করা। নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। প্রশাসনের অনেক কিছুই তখন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বা পরামর্শক্রমে পরিচালিত হবে। একটি সরকার তখন দেশে থাকবে বটে কিন্তু সেই সরকার কেবলমাত্র কতগুলি রুটিন কাজ চালিয়ে যাবে, সরকারের ধারাবাহিকতা হিসেবে। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এই ধারা বিরাজমান। আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনও হলো বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই। তা সত্ত্বেও সেই নির্বাচনের ফল নিয়ে কারও মধ্যে কোন সংশয় বা সন্দেহ নেই। কারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সেখানে কোন ত্রুটি ছিল না। সেই অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়, আমাদের সংলাপে রাজনৈতিকদলগুলো কোন একজন ব্যক্তির অধীনে নির্বাচন হওয়া না হওয়া নিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে যত কথা বলছেন সেই তুলনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করা এবং সেগুলো মোকাবেলা করার কৌশল নিয়ে কম কথা বলছেন। একজন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলেই বা তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে সে গ্যারান্টি কি আমরা দিতে পারি? ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন তো হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই কিন্তু সেই নির্বাচনের ফল নিয়ে কি তখন বিতর্ক হয়নি? 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ শেষ, তবে আলোচনার দ্বার এখনও খোলা। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে আলোচনার দ্বার যেহেতু খোলা তাই সব রাজনৈতিক দল চাইলে নির্বাচনের তারিখ পেছানো যেতে পারে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন। এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামীকাল শুক্রবার থেকে তাদের মনোনয়ন বিক্রি শুরু করছেন। জাতীয় ঐক্যফন্ট আবারও সীমিত পরিসরে আরও আলোচনা করা এবং এখনই তফসিল না ঘোষণার দাবী জানালেও দেশের আনাচে-কানাচে ছেয়ে যাওয়া নানা রংয়ের পোষ্টার, ফেষ্টুন, ব্যানার ইত্যাদি ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ করার হিড়িক দেখে এখন স্পষ্টতই বলে দেয়া যায় যে, একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ট্রেনটা চলতে শুরু করেছে। এখন নির্বিঘেœ ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার অপেক্ষা মাত্র। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক সেটা আমাদের প্রাণের চাওয়া। আমরা জনগণ শান্তি চাই। আমরা উভয়দলকে নিজেদের অবস্থান থেকে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাই। গণতন্ত্র থাকলে দেশের উন্নতি হবে। পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নতি হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রেরণায় আজও সংগ্রামের ঝান্ডা বয়ে চলেছে নিপীড়িত, মেহনতি জনতা। তাদের কাছে একদিনের ভোটের তেমন কোন মূল্য না থাকলেও তারা এই ভোটের অধিকার সুরক্ষার জন্য ত্যাগ স্বীকারে রাজী। ভোট আমাদের মত সাধারণ মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা পরিবার-পরিজনের ভাতের নিশ্চয়তা চাই। একদলকে হটিয়ে একই শ্রেণীর অন্য আরেকদলকে ক্ষমতায় বসিয়ে সাধারণ মানুষের কোন লাভ নেই। বিগত ৪৭ বছরে দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় দলবদল হয়েছে কিন্তু উন্নয়ন দর্শনে মৌলিক কোন পরিবর্তন আসেনি। অর্থাৎ বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার কর্মসূচী কেউ নেয়নি। তাই খালি রাজা-রাণী পরিবর্তনের সংলাপ নয়, আগামী সংলাপ হতে হবে ধন-বৈষম্য, সুযোগ-বৈষম্য কমানোর কার্যকর উপায় নির্ধারণ প্রসঙ্গে। বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুলাংশে হুন্ডা-গুন্ডা নির্ভর। এই ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখে শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন। সত্যিকারের সুশাসনের জন্য রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতেই হবে। গণতন্ত্র ফলপ্রসু হবে যখন জনগণ সত্যিকার অর্থেই দেশের শাসন ব্যবস্থায় নিজেদের মালিকানা ও প্রতিনিধিত্ব দেখতে পাবে। 

শান্তির জন্য সংলাপ, আলোচনা অব্যাহত থাকুক এটা আমরা চাই। শান্তি বিনষ্ট করে এমন কোন কর্মসূচীকে এদেশের মানুষ পছন্দ করে না। ইস্যু যত গুরুত্বপূর্ণই হোক, জ্বালাও-পোড়াও, সম্পদ ধ্বংসের পথে রাজনীতিকে পরিচালনায় আমাদের সাধারণ মানুষের বিশেষ কোন সমর্থন নেই। তাই যখনই দেশে সংলাপের হাওয়া বইতে শুরু হলো, বাংলার মানুষের চোখে জেগে উঠল নতুন স্বপ্ন, জেগে উঠল শান্তির পথে প্রগতির রথে ওঠার বাসনা। বাংলার মানুষ মুক্তি চায়। ক্ষমতা অপব্যবহারকারীদের বিনাশ চায়। 

ক্ষমতাসীন দল সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, সংবিধানের বাইরে গিয়ে তারা কোন কিছু করবে না। অর্থাৎ সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ দশজন উপদেষ্টার অধীনে সরকার পরিচালনা এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবী সরকার মেনে নেবে না। সরকারের এই কঠোর অবস্থান মেনে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে সম্মতি জানিয়েছে বি চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ও এরশাদের জাতীয় পার্টি। বাম গণতান্ত্রিক জোট বলেছে, ‘বল সরকারের কোর্টে’। অবস্থা বুঝে নির্বাচন করা বা বয়কট করা, যে কোন সিদ্ধান্ত নেবার মত প্রস্তুতি বামদের রয়েছে। এমতাবস্থায়, আন্দোলন ও নির্বাচন উভয় কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাবে ঐক্যফ্রন্ট। 

আন্দোলন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের এই দর কষাকষির কৌশল শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে শেষ হবে জানিনা। তবে যে কোন অস্থিতিশীল প্রচেষ্টা রুখে দিতে সরকার কঠোর থাকবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়েছে। আমরা জনগণ শান্তি চাই, সমাধান চাই, স্থিতিশীলতা চাই। চাই সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন। এর বাইরে যারা যাবেন বা থাকবেন তারা জনগণের প্রকৃত বন্ধু কিনা সেটাও ভাবতে হবে। 

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter