সর্বশেষ সংবাদ নদী ও নারী                  ১০ জুন দ্বীপায়ন দাশ অর্নব এর ৭ম শুভ জন্মদিন                 শতভাগ ‘মুডি শিল্পী’আয়েশা আরিয়ানা                  সাহিত্যপ্রেমী বজলুর রহমান (খোকন)                  উপলব্ধি                  বিবর্তনে ভিন্নমাত্রার বিশ্বসভ্যতা ও আমরা : আবু রায়হান মিসবাহ                 কোথায় কি পরিস্থিতিতে আছেন হুমায়ূন আহমেদের ৮ সন্তানেরা ?                 গুগলের কাণ্ডে নুহাশের কান্না!                 উন্মোচিত হলো ‘নাবিলা জানো?’ পোষ্টারের রহস্য!                 বয়স তার মাত্র ১২ বছর,৮০ ভাষায় গান গাইতে পারে !!                 মানবতা বেঁচে থাকুক                 আপনার আজকের রাশিফল                  দেশবাংলা                  রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচানোর কাজে সবার সম্পৃক্ত হওয়া উচিৎ                 যৌনপল্লীর অতীত পেছনে ফেলে আইনজীবী হওয়ার লড়াই                

Thursday, April 15, 2021
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন


ডানপিটেদের আসর


রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচানোর কাজে সবার সম্পৃক্ত হওয়া উচিৎ
জাহাঙ্গীর বাবু :
সময় : 2017-05-05 12:03:24

আমি রেড ক্রিসেন্টের ব্লাড ডোনার ছিলাম ৯২ থেকে ১৯৯৭সাল  পর্যন্ত ,আমার একটা কার্ড ছিলো ,কারো রক্তের প্রয়োজন হলে সহজেই সে কার্ড দেখিয়ে অন্তত এক ব্যাগ রক্ত পাওয়া যেত। ঢাকা পলিটেকনিকে ১৯৯২ সালে রেড ক্রিসেন্ট টিম আসে সেখানে জীবনের প্রথম রক্ত দেই। আমার বন্ধু লিটন,আকাশ ,মিলন সহ  প্রায় সবার কার্ড ছিলো। প্রথম রক্ত দিলেই একটা ডোনার কার্ড পাওয়া যেত। তার আপনার একব্যাগ রক্ত তাদের কাছে জমা রাখলেন।যখন আপনার প্রয়োজন আপনার আপন জন পেয়ে যাবেন সেই জমা রাখা রক্ত।আপনাকে দেখে এগিয়ে আসবেন অনেকেই।একবার টি এস স্যার মোড়ে একটি ক্যাম্প চলছিলো ,আমি হেঁটে আসছিলাম।কয়েক জন রক্ত দিচ্ছে।আমি তখনো নাস্তা করিনি। পাশের ফুটপাতে বিস্কুট কিনতে গেলাম ,দোকানি ফিস ফিস করে বললেন ,মামা ের কিন্তু দুনম্বর রক্ত দিয়েন না,ওরা  রক্ত বেঁচে।আমি চলে আসি. তাই বলছি রক্ত দিতে সাবধান!

আমার বোনের জন্য যারা রক্ত দিতে চেয়েছেন,আবেদনে সাসাড়া  দিয়েছেন ,ধন্যবাদ সবাইকে। যারা রক্ত দিয়েছে তারা কেউ অনলাইনের এই অনুরোধে আসেননি।তবে এই ফেসবুকের অনুরোধে অনেকে   বিদেশে থেকে টেলিফোনে   তাদের আত্মীয় স্বজনকে ফোনে যোগাযোগ  করেছেন।তাদের জন্য আন্তরিক  ধন্যবাদ ,সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। রক্তদান,চিকিসায় সাহায্যের আবেদন,কেউ মারা গেলে,হাসপাতালে চিকিৎসায় থাকলে দোয়ার দরখাস্ত ইয়ার্কির বিষয় নয়.আবেগ ভালবাসা, হারানোর ভয়,যিনি স্টাটাস দেন,বা লিখেন তিনি চারদিকে শূন্যতা দেখেন হাহাকার দেখেন,নিজেকে অসহায় ভাবেন।তাই ফেসবুক হাতের কাছে সেখানেই মনের কথা,ভাবাবেগ,আবেদন ,নিবেদন,অনুযোগ,অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।এই সব নিয়ে যারা ব্যঙ্গ করেন তাদের কাছে অনুরোধ মানুষকে কষ্ট দেবেন না।

 ফেসবুকের স্টাটাস পড়ে  কয়েক জন জানিয়েছেন প্রয়োজনে আসবেন।রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচানোর কাজে সবার সম্পৃক্ত হওয়া উচিৎ। আর হ্যা একমাত্র কাছে থাকলে এবং সময় মতো উপস্থিত হতে পারলেই বলা উচিত আমি আসছি বা আমি দিতে পারবো ,ইচ্ছা আছে,ইচ্ছা ছিলো , আছি অনেক দূরে  ,এই সব কমেন্টস ,কষ্ট দেয়। আল্লাহ আপনাদের সবাইকে ভালো রাখুন।আমিন।

 

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter