সর্বশেষ সংবাদ নদী ও নারী                  ১০ জুন দ্বীপায়ন দাশ অর্নব এর ৭ম শুভ জন্মদিন                 শতভাগ ‘মুডি শিল্পী’আয়েশা আরিয়ানা                  সাহিত্যপ্রেমী বজলুর রহমান (খোকন)                  উপলব্ধি                  বিবর্তনে ভিন্নমাত্রার বিশ্বসভ্যতা ও আমরা : আবু রায়হান মিসবাহ                 কোথায় কি পরিস্থিতিতে আছেন হুমায়ূন আহমেদের ৮ সন্তানেরা ?                 গুগলের কাণ্ডে নুহাশের কান্না!                 উন্মোচিত হলো ‘নাবিলা জানো?’ পোষ্টারের রহস্য!                 বয়স তার মাত্র ১২ বছর,৮০ ভাষায় গান গাইতে পারে !!                 মানবতা বেঁচে থাকুক                 আপনার আজকের রাশিফল                  দেশবাংলা                  রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচানোর কাজে সবার সম্পৃক্ত হওয়া উচিৎ                 যৌনপল্লীর অতীত পেছনে ফেলে আইনজীবী হওয়ার লড়াই                

Thursday, April 15, 2021
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন


ডানপিটেদের আসর


মানবতা বেঁচে থাকুক
জাহাঙ্গীর বাবু :
সময় : 2017-09-13 12:26:19

আমি একজন সাধারণ মানুষ,তাত্বিক আলোচনা,যুক্তির সমালোচনা,সমর বিশ্লেষণের জ্ঞান নেই।যা ভাবনায় আসে সহজ সরল ভাবে বলে যাই।

যারা মায়ানমারের রোহিঙ্গা তুরস্কের ফার্স্ট লেডির কান্নাকে ব্যাঙ্গকে বলেছেন,নাকি কান্না না দেখিয়ে ঝাহাজ ভরে তুরস্কে নিয়ে যায় না কেন?

তুরস্ক নাকি আই এস এস এর ব্রিডিং গ্রাউন্ড, সিরিয়া,ফিলিস্তিন এর জন্য কাঁদেনি কেন,কাঁদে না কেন।তাদের তৈরী আই এস এস দুনিয়ার গন্ডগলের মুল। দারুন বিশ্লেষণ।

কোন বাংলাদেশী চাইবেনা দেশে কারো অনুপ্রবেশ ঘটুক।কোন পরিবার কি কোন আগুন্তুককে তার পরিবারে স্থান দেয়? নিশ্চই না।তাহলে দেশের মাঝে পাশের দেশ থেকে আসুক তা চাইবে কেন?

সরকার তার সীমানা রক্ষা করবে,স্বাধীনতা,সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এটাই স্বাভাবিক।জনগন ও তাই করবে।এ কথা গুলি সবার জানা।

রোহিঙ্গা শরর্নার্থীরা অল রেডি দেশে প্রবেশ করেছে।তাদের খাবার,আশ্রয়,চিকিৎসা প্রয়োজন।সরকার তার মতো করে চেষ্টা করবে প্রথমত বাঁচিয়ে রাখা,পরে ফেরৎ পাঠানো।যদিও ফেরৎ পাঠানো দু: সাধ্য ব্যাপার।

বাংলাদেশের জনগনের বেশির ভাগের সহমর্মিতা রয়েছে মানবিক কারণে,তার চেয়েও বেশি ধর্মীয় জ্ঞাতি হিসাবে।
অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন,এরা মুসলিম না হয়ে অন্য ধর্মের হতো তাহলে কি গ্রাম,গঞ্জ,শহর, পাড়া,মহল্লা থেকে এভাবে  চাঁদা তুলে সাহায্য পাঠাতো?
প্রশ্ন আছে উত্তর নেই,হয়তো হ্যাঁ,নয়তো না।

যারা সাধারণ জনগনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, বলছিলাম, পাড়া,মহল্লা গ্রামে গ্রামে ঘুরে পুরাতন বস্ত্র নগদ অর্থ সংগ্রহ করছে তাদের মশকারী করছেন তাদের তাদের কে হেয় করছেন,কেউ বলছেন, এই সামান্য অনুদানে কি হবে,এটা সরকার দেখবে,সরকারের পাশপাশি আমাদের কি কোন দায়িত্ব নেই!যদি থাকে সামর্থ্যানুযায়ী চেষ্টা করুন না।

মানবতার ডাকে যারা সাড়া দিয়েছেন,তাদেরকে বলছেন,  বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনা কেন? আচ্ছা বন্যার্তদের সাহায্য করতে কেউ নিষেধ করেছে কি? যে যেভাবে পারেন করুন না!

এই যে প্রধান মন্ত্রী রোহিঙ্গাদের কাছে গেলেন, তাতেও অনেকে খুঁজছেন রাজনীতি।এতে কিছু মমতা যে নেই,আবেগ যে নেই তা কি ভাবে বলবেন? বর্তমান প্রধান মন্ত্রী বা সরকারের নির্বাচন আর গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তিনি সফল,বিচক্ষন এ কথা বলতেই পারি।ক্ষমতায় থাকার জন্য যা করার করছেন,বিরুধী পারছেনা এটাই বাস্তব।

যারা প্রান্তিক পর্যায়ে  কায়িক, আর্থিক সহযোগীতায় অংশ নিচ্ছে তাদেরকে বলা হচ্ছে কেন তাদের ঘরে রোহিঙ্গাদের স্থান দিচ্ছেনা?

কেন যুদ্ধে অংশ নিয়ে মায়ানমার যাচ্ছেনা? অনেকে বলছেন, রোহিঙ্গা নারী শিশু যে সংখ্যায় তাদের পুরুষরা কোথায়?

হতে পারে তারা কেউ জিহাদী গ্রুপে,কেউ জীবন দিয়েছে বৌদ্ধ জান্তাদের হাতে।কেউ মিশে গেছে বাংলাদেশের মুল শ্রোতে, এর সাথে বৌদ্ধ পুরুষরা মুসলিম সেজে,শরনার্থী সেজে আছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মিশে গেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতো নতুন নয়,হাজার বছরের পুরানো। সরকার যে নমনীয়তায় মানবতা দেখাচ্ছে এতেও অনেকে নাখোশ।

হুট হাট করে কি যুদ্ধ হয়?তাহলেতো যেই সব মোড়লের কাছে আনবিক,পারমানবিক বোমা,স্কাট,মিসাইল বোমা আছে, তা দিয়ে উড়িয়ে দিত, যাদের তারা শত্রু ভাবে।

তিন দিকে ভারত সম্পুর্ন্য মায়ানমারের সমর্থনে, সেই সাথে চীন, মায়ানমার সীমান্তে টহল দিচ্ছে,মাইন পুতেছে। তারা সম্পুর্ন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বোঝাই যায়।

অনেকেই বলছেন,কেন বাংলাদেশ  সীমান্তে পজিশন নিচ্ছেনা ?
এ ক্ষেত্রে  প্রশ্ন আছে উত্তর নেই। বাংলাদেশের কুটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গারা আশীর্বাদ নয় অভিশাপ সবাই বোঝে।মানবিক বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে।সে ধারণা উড়িয়ে দেয়া যায়না।শরনার্থী শিবিরে খাবারের অভাবে চুরি, ডাকাতি,হাইজ্যাকে লিপ্ত হবে তারা,এ দিকে কিছু অমানুষ ধর্ষন,লুটে লিপ্ত হচ্ছে।ইতিমধ্যে কিছু অস্ত্র ও ধরা পড়েছে।গ্রেফতার হয়েছে কয়েক জন রোহিঙ্গা,চিন্তার বিষয় বৈকি।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন চলছে কিন্তু তারাতো শহরেও উঠে গেছে।ভাষা গত দিক থেকে এক হওয়ার কারনে ওদের আলাদা করা জটিল।

কি হবে?প্রশ্ন আছে, উত্তর নেই।ভয়াবহ, পরিস্থিতির দিকে রোহিঙ্গা ইস্যু।তাও মানুষ হিসাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মনুষত্ব্য।

রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য বোঝা।বাড়তি চাপ।নারী শিশু বৃদ্ধ  না খেয়ে মারা গেলে বিশ্ব মোড়লেরা বাংলাদেশকেই দোষারপ করবে।

সরকার,জনগন অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবতার ডাকে,বিবেকের ডাকে।স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি মানবতা, মনুষত্ব্য থাকুক।তাই সাধারণ জনগনকে তাদের আবেগ,মমতা বাঁচিয়ে রাখতে দিন।

উৎসাহ না দিন,নিরুৎসাহিত করবেন না।আমি প্রবাসী,  প্রবাসে দেখি বাস স্টপ,রেলওয়ে ষ্টেশন,শপিং মলে ছোট শিশু, কিশোর,কিশোরী,ইয়ং জেনারেশন পথচারী,যাত্রীদের কাছে ছোট ছোট বক্স নিয়ে সাহায্য চায়।যাকে তারা বলে চ্যারিটি।অসুস্থ্য রোগীর চিকিৎসা,কারো পড়া শোনার খরচ নানা কাজে সাহায্যের হাত বাড়ায়।

আমাদের দেশে অনেকেই ভালো কাজ করতে চায়,করে করছে,করবে।তবে এর মাঝে অনেক মন্দ লোক ও আছে।তাও বলব,মানবতা বেঁচে থাক আমাদের মাঝে।হোক রোহিঙ্গাদের জন্য,বন্যা,ক্ষরা,মঙ্গা,জলোচ্ছাস,ভুমিকম্প আক্রান্তের জন্য,হোক আমাদের আশে পাশের কারো চিকিৎসা,শিক্ষা,দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য মৃত্যুর পর শেষ যাত্রার সৎকারের জন্য ,দেশের যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় মানবতার দায়বদ্ধতায় এগিয়ে আসুক বিবেক।

রোহিঙ্গারা ফিরে পাক তাদের ঘর,দেশ,এই প্রত্যাশা। শান্তিতে থাক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের মাতৃভুমি,প্রিয় স্বদেশ।মাথা উঁচিয়ে উড়ুক লাল সবুজের পতাকা।

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter